১.“কালি কলম মন, লেখে তিন জন” – কথাটির দ্বারা বোঝায়: (ক) লেখার উপকরণ প্রয়োজন নেই (খ) মন, কালি ও কলম লেখার তিনটি উপাদান (গ) তিনজন লেখক মিলে লেখেন (ঘ) লেখালেখি একটি কঠিন কাজ
সঠিক উত্তর: (খ) মন, কালি ও কলম লেখার তিনটি উপাদান
২.গ্রামীণ জীবনে লেখার পাত হিসেবে ‘আমি’ কী ব্যবহার করত? (ক) বাঁশের কঞ্চি (খ) কলাপাতা (গ) কাঠের খন্ড (ঘ) পুরানো খবরের কাগজ
৪.‘খাগের কলম’ এখন কোথায় দেখা যায়? (ক) পাঠ্যবইয়ের ছবিতে (খ) দুর্গাপুজোর সময় (গ) সরস্বতী পুজোর সময় (ঘ) বিয়ে বাড়িতে
সঠিক উত্তর: (গ) সরস্বতী পুজোর সময়
৫. ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু কিসের ফলে হয়েছিল? (ক) টাইপরাইটারের আঘাতে (খ) নিজের কলমের আঘাতে (গ) হার্ট অ্যাটাকে (ঘ) পকেটমারের আঘাতে
সঠিক উত্তর: (খ) নিজের কলমের আঘাতে
সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন (SAQ)
১.“আমি” ছোটবেলায় কীভাবে কালি তৈরি করত?
উত্তর: কড়াইয়ের তলায় জমে থাকা কালি ঘষে তুলে, জল মিশিয়ে, হরতকী বা পুড়োনো চাল বেটে মিশিয়ে কালি তৈরি করত।
২.‘আমি’ প্রথম ফাউন্টেন পেন কোথা থেকে কিনেছিল?
উত্তর: কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের একটি নামী দোকান থেকে।
৩.লিপিকররা অতীতে কোন কাজের জন্য সম্মান পেতেন?
উত্তর: তাঁরা সুন্দর হাতের লেখায় পুথি কপি করতেন এবং রাজা-জমিদারদের থেকে সম্মান ও ভরণপোষণ পেতেন।
দীর্ঘ উত্তর প্রশ্ন (LAQ)
১.গল্পে লেখক কীভাবে বিভিন্ন যুগের লেখার উপকরণ ও প্রযুক্তির বিবর্তন তুলে ধরেছেন? সংক্ষেপে আলোচনা করো। উত্তর: লেখক প্রাচীন যুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত লেখার উপকরণের বিবর্তন তুলে ধরেছেন। প্রাচীন মিশর, সুমের, ফিনিসীয়দের শলাকা, খাগড়ার কলম, পালকের কুইল, দোয়াত, বাঁশের কঞ্চি—এসবের বিবরণ দেন। এরপর ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কার, বলপেন, টাইপরাইটার এবং সবশেষে কম্পিউটার যুগ পর্যন্ত এসে লেখকের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যেভাবে হাতের লেখার অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে উঠেছে।
২.গল্পে ‘কলম’ কেবল একটি বস্তু নয়—এটি একটি অনুভূতির প্রতীক হিসেবে কিভাবে ব্যবহৃত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। উত্তর: গল্পে কলম লেখকের শৈশব, গ্রামীণ জীবন, বন্ধু মিলনের উপহার, এবং স্মৃতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। কলম হারানোর মধ্য দিয়ে লেখক অনুভব করেন অতীত, সম্পর্ক, অনুভব হারিয়ে যাচ্ছে। একটি ছোট জিনিসের মাধ্যমে মানুষের মানসিক বন্ধন এবং স্মৃতির গভীরতা বোঝানো হয়েছে। কলম হয়ে উঠেছে আত্মপরিচয়ের এক টুকরো অংশ।
অনুসন্ধান গৃহীত হয়েছে!
ধন্যবাদ, । আমাদের একাডেমিক মেন্টর শীঘ্রই নম্বরে কল করবেন।