জোয়ার ভাটার উৎপত্তির কারণ, বিভিন্ন প্রকার জোয়ার ভাটার সময়ের ব্যবধান

বর্ণনা: সমুদ্রের জলের উত্থান-পতন, যা জোয়ার ও ভাটা নামে পরিচিত, তার পেছনের আকর্ষণীয় বিজ্ঞান অন্বেষণ করুন। পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের দশম শ্রেণির ভূগোলের পাঠ্যক্রমের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই বিস্তৃত নির্দেশিকাটি সেই মহাকর্ষীয় শক্তিগুলি নিয়ে আলোচনা করে যা এই গতিবিধি শুরু করে এবং বিশ্বজুড়ে তাদের সময়ের পার্থক্যের কারণগুলি ব্যাখ্যা করে।

সারা বিশ্বের উপকূলরেখা বরাবর সমুদ্রপৃষ্ঠের নিয়মিত উত্থান-পতন, যা জোয়ার (উচ্চ জলস্তর) এবং ভাটা (নিম্ন জলস্তর) নামে পরিচিত, একটি পরিচিত ঘটনা। এদের উৎপত্তির কারণ এবং সময়ের বিভিন্নতা বোঝা উপকূলীয় ভূগোলের একটি মৌলিক দিক। জলের এই পর্যায়ক্রমিক গতিবিধি মূলত পৃথিবী, চাঁদ এবং সূর্যের মধ্যে মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়ার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

জোয়ার ভাটার উৎপত্তির কারণ:

জোয়ার ভাটার প্রধান চালিকা শক্তি হল মহাকর্ষ বল। চাঁদ এবং সূর্য উভয়ই পৃথিবীর উপর মহাকর্ষীয় আকর্ষণ প্রয়োগ করে, তবে নিকটত্বের কারণে, চাঁদের মহাকর্ষীয় প্রভাব জোয়ার সৃষ্টির ক্ষেত্রে সূর্যের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে এই অসম মহাকর্ষীয় আকর্ষণ জোয়ারের उभार (bulges) তৈরি করে।

  • চাঁদের ভূমিকা: চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর উপর টান দেয় এবং এই টান সর্বত্র সমান নয়। পৃথিবীর যে দিকটি চাঁদের দিকে মুখ করে থাকে, সেখানে চাঁদের আকর্ষণ পৃথিবীর কেন্দ্রের তুলনায় বেশি শক্তিশালী, এবং বিপরীত দিকে আকর্ষণ দুর্বল থাকে। মহাকর্ষীয় শক্তির এই পার্থক্য দুটি জলের उभार তৈরি করে: 
    • সরাসরি জোয়ারের उभार: পৃথিবীর যে দিকটি সরাসরি চাঁদের দিকে মুখ করে থাকে, সেখানকার জল চাঁদের দিকে বেশি শক্তিশালীভাবে আকৃষ্ট হয়, যার ফলে জল ফুলে ওঠে এবং জোয়ার সৃষ্টি হয়।
    • পরোক্ষ জোয়ারের उभार: পৃথিবীর বিপরীত দিকে, কঠিন পৃথিবী চাঁদের দিকে জলের তুলনায় বেশি শক্তিশালীভাবে আকৃষ্ট হয়। এর ফলে পৃথিবী যেন জল থেকে কিছুটা দূরে সরে যায়, এবং জল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে ফুলে ওঠে, যা জোয়ার সৃষ্টি করে।
  • এই দুটি জোয়ারের उभारের মাঝখানে, জল সরে যায়, ফলে নিম্ন জলস্তর তৈরি হয়, যা ভাটা নামে পরিচিত। পৃথিবী তার অক্ষের উপর ঘোরার সাথে সাথে, বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চল এই জোয়ারের उभार এবং মধ্যবর্তী নিম্ন জলের অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যায়, যার ফলে জোয়ার ও ভাটার একটি চক্রের অভিজ্ঞতা হয়। 
  • সূর্যের প্রভাব: সূর্য চাঁদের চেয়ে অনেক দূরে থাকলেও, এর বিশাল ভর পৃথিবীর উপর এবং এর মহাসাগরের উপর একটি উল্লেখযোগ্য মহাকর্ষীয় আকর্ষণ প্রয়োগ করে, যা সৌর জোয়ার গঠনে অবদান রাখে। এই সৌর জোয়ারগুলি চান্দ্র জোয়ারের প্রায় অর্ধেক তীব্রতার হয়। 
  • পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোয়ার (Spring Tides) এবং মরা কোটালের জোয়ার (Neap Tides): চান্দ্র ও সৌর জোয়ারের মিথস্ক্রিয়ার ফলে জোয়ারের সীমার (উচ্চ এবং নিম্ন জোয়ারের মধ্যে পার্থক্য) পরিবর্তন ঘটে: 
    • পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোয়ার (Spring Tides): যখন সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একটি সরলরেখায় আসে (অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা পর্যায়ে), তখন তাদের মহাকর্ষীয় শক্তি একত্রিত হয়। এর ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জোয়ার এবং নিচু ভাটা হয়, যা পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোয়ার নামে পরিচিত।
    • মরা কোটালের জোয়ার (Neap Tides): যখন সূর্য এবং চাঁদ পৃথিবীর সাপেক্ষে সমকোণে থাকে (প্রথম এবং তৃতীয় চতুর্থাংশ চন্দ্র পর্যায়ে), তখন তাদের মহাকর্ষীয় শক্তি আংশিকভাবে একে অপরের প্রভাব কমিয়ে দেয়। এর ফলে জোয়ারের সীমা ছোট হয়, যেখানে উচ্চ জোয়ার তুলনামূলকভাবে কম এবং নিম্ন জোয়ার তুলনামূলকভাবে উঁচু হয়, যা মরা কোটালের জোয়ার নামে পরিচিত।

বিভিন্ন প্রকার জোয়ার ভাটার সময়ের ব্যবধান:

উচ্চ এবং নিম্ন জোয়ারের সময় বিশ্বজুড়ে অভিন্ন নয় এবং বেশ কয়েকটি জ্যোতির্বিদ্যাগত এবং ভৌগোলিক কারণের উপর নির্ভর করে:

  • চান্দ্র দিন (Lunar Day): চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে একই দিকে ঘোরে যে দিকে পৃথিবী তার অক্ষের উপর ঘোরে। তবে, চাঁদ তার কক্ষপথেও পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে। ফলস্বরূপ, পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে চাঁদের সাপেক্ষে একই অবস্থানে ফিরে আসতে প্রায় ২৪ ঘন্টা ৫০ মিনিট (একটি চান্দ্র দিন) সময় লাগে। এই অতিরিক্ত ৫০ মিনিটের কারণে প্রতিদিনের জোয়ার (এবং ভাটা) আসার সময়ে বিলম্ব ঘটে। 
  • অধিকাংশ স্থানে দৈনিক দুটি মুখ্য জোয়ার ও দুটি গৌণ জোয়ার (Semi-diurnal Tides): বেশিরভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে একটি চান্দ্র দিনের মধ্যে দুটি মুখ্য জোয়ার (প্রায় সমান উচ্চতার) এবং দুটি গৌণ জোয়ার (প্রায় সমান উচ্চতার) দেখা যায়। দুটি পরপর মুখ্য জোয়ারের (বা দুটি পরপর গৌণ জোয়ারের) মধ্যে গড় সময় ব্যবধান প্রায় ১২ ঘন্টা ২৫ মিনিট (চান্দ্র দিনের প্রায় অর্ধেক)। ফলস্বরূপ, একটি মুখ্য জোয়ার এবং পরবর্তী গৌণ জোয়ারের (বা একটি গৌণ জোয়ার এবং পরবর্তী মুখ্য জোয়ারের) মধ্যে সময়ের পার্থক্য প্রায় ৬ ঘন্টা ১২.৫ মিনিট। এই ধরণের জোয়ারের ধরণকে অধিকাংশ স্থানে দৈনিক দুটি মুখ্য জোয়ার ও দুটি গৌণ জোয়ার বলা হয়। চান্দ্র দিনের মধ্যে দুটি মুখ্য ও দুটি গৌণ জোয়ারের নিয়মিত চক্র চাঁদের মাধ্যাকর্ষণের কারণে সৃষ্ট দুটি জোয়ারের उभारের নীচে দিয়ে পৃথিবীর ঘূর্ণনের সরাসরি ফলাফল। যখন একটি স্থান उभारের নীচে থেকে একটি খাঁজে এবং তারপরে বিপরীত उभारের নীচে চলে যায়, তখন এটি উচ্চ-নিম্ন-উচ্চ-নিম্ন ক্রমের অভিজ্ঞতা লাভ করে। 
  • কোন কোন স্থানে দৈনিক একটি মুখ্য জোয়ার ও একটি গৌণ জোয়ার (Diurnal Tides): কিছু ভৌগোলিক স্থানে, বিশেষ করে মেক্সিকো উপসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশের মতো আবদ্ধ বা আধা-আবদ্ধ জলাশয়ে, চান্দ্র দিনে কেবল একটি মুখ্য জোয়ার এবং একটি গৌণ জোয়ার দেখা যায়। এটিকে কোন কোন স্থানে দৈনিক একটি মুখ্য জোয়ার ও একটি গৌণ জোয়ার বলা হয়। এই অঞ্চলে, পরপর মুখ্য জোয়ারের (বা গৌণ জোয়ারের) মধ্যে সময়ের পার্থক্য প্রায় ২৪ ঘন্টা ৫০ মিনিট, যা চান্দ্র দিনের দৈর্ঘ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দৈনিক একটি মুখ্য ও একটি গৌণ জোয়ারের ঘটনা প্রায়শই এই অববাহিকাগুলির নির্দিষ্ট সমুদ্রতলদেশের ভূসংস্থান এবং উপকূলীয় ভূগোলের সাথে জোয়ার তরঙ্গের জটিল মিথস্ক্রিয়ার কারণে ঘটে, যা দুটি মুখ্য জোয়ারের একটিকে ফিল্টার করে দেয়। 
  • মিশ্র জোয়ার (Mixed Tides): অনেক অঞ্চলে মিশ্র জোয়ার দেখা যায়, যেখানে প্রতিটি চান্দ্র দিনে দুটি মুখ্য জোয়ার এবং দুটি গৌণ জোয়ার থাকে, তবে দুটি মুখ্য জোয়ারের উচ্চতায় (উচ্চতর উচ্চ জল এবং নিম্নতর উচ্চ জল) এবং/অথবা দুটি গৌণ জোয়ারের উচ্চতায় (উচ্চতর নিম্ন জল এবং নিম্নতর নিম্ন জল) উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকে। এই মুখ্য ও গৌণ জোয়ারের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধানও অনিয়মিত হতে পারে এবং চান্দ্র মাস জুড়ে পরিবর্তিত হতে পারে। এই জোয়ারের ধরণগুলি প্রায়শই স্থানীয় উপকূলীয় ভূগোল এবং সমুদ্রতলদেশের গভীরতা দ্বারা প্রভাবিত হয়, যা সমুদ্র অববাহিকা এবং মহাদেশীয় ঢালুভূমির উপর দিয়ে অগ্রসর হওয়ার সময় দুটি মুখ্য জোয়ারের उभारকে ভিন্নভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বিভিন্ন জোয়ার উপাদানের (ব্যক্তিগত জোয়ারের ফ্রিকোয়েন্সি) মিথস্ক্রিয়া মিশ্র জোয়ারের জটিলতায় অবদান রাখে। 
  • ভৌগোলিক প্রভাব: উপকূলরেখার আকার, সমুদ্র অববাহিকার গভীরতা এবং সমুদ্রতলের গঠন বিভিন্ন স্থানে জোয়ারের সময় এবং উচ্চতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ: 
    • সরু উপসাগর এবং মোহনা: এই বৈশিষ্ট্যগুলি জোয়ারের সীমাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে, যার ফলে খোলা উপকূলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উঁচু জোয়ার এবং নিচু ভাটা হয়। ফানেলের আকারের এই খাঁড়িগুলি জোয়ারের ঢেউকে একত্রিত করে, যার ফলে এর উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। তারা জলের প্রবাহে বাধা এবং অগভীর তলদেশ ও পাশের ঘর্ষণজনিত প্রভাবের কারণে উচ্চ এবং নিম্ন জলের সময়কেও পরিবর্তন করতে পারে। জোয়ারের ফ্রিকোয়েন্সির সাথে উপসাগর বা মোহনার অনুরণন জোয়ারের সীমাকে বাড়িয়ে তুলতে এবং সময় পরিবর্তন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
    • মহাদেশীয় ঢালুভূমি: মহাদেশীয় ঢালুভূমির প্রস্থ এবং ঢাল সংলগ্ন উপকূলরেখা বরাবর জোয়ারের ঢেউয়ের গতি এবং বিস্তারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা জোয়ারের সময় এবং উচ্চতা উভয়কেই প্রভাবিত করে। অগভীর ঢালুভূমি জোয়ারের ঢেউকে ধীর করে দিতে পারে, যার ফলে উচ্চ এবং নিম্ন জল আসতে বিলম্ব ঘটে। ঢালুভূমির প্রান্তে জোয়ারের ঢেউয়ের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণ জোয়ারের বৈশিষ্ট্যগুলিকে পরিবর্তন করতে পারে।
    • সমুদ্রের দ্বীপ: খোলা সমুদ্রে অবস্থিত দ্বীপগুলিতে প্রায়শই আরও নিয়মিত দৈনিক দুটি মুখ্য জোয়ার দেখা যায়, যেখানে বাধার অভাবে জোয়ারের ঢেউ অবাধে বিস্তার লাভ করায় উচ্চতার তেমন পরিবর্তন হয় না। জোয়ারের ঢেউ বিভিন্ন দিক থেকে তুলনামূলকভাবে অভিন্নভাবে দ্বীপের কাছে পৌঁছাতে পারে, যার ফলে একটি আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ জোয়ারের চক্র তৈরি হয়।
  • চাঁদ ও সূর্যের বিষুবলম্ব (Declination of the Moon and Sun): চাঁদ ও সূর্যের কক্ষপথ পৃথিবীর বিষুবরেখার সাথে সরাসরি সারিবদ্ধ নয়। তাদের বিষুবলম্ব (বিষুবরেখার উত্তর বা দক্ষিণে কৌণিক দূরত্ব) তাদের নিজ নিজ চক্র জুড়ে পরিবর্তিত হয়। বিষুবলম্বের এই পরিবর্তন দুটি দৈনিক মুখ্য জোয়ারের আপেক্ষিক উচ্চতাকে (অধিকাংশ স্থানে দৈনিক দুটি মুখ্য জোয়ার ও দুটি গৌণ জোয়ার এবং মিশ্র জোয়ারের ক্ষেত্রে) প্রভাবিত করে এবং তাদের সময়কেও প্রভাবিত করতে পারে। যখন চাঁদ বা সূর্যের বিষুবলম্ব বেশি থাকে, তখন দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্যভাবে উঁচু হওয়ার প্রবণতা দেখায়, যা জোয়ারের উচ্চতায় দৈনিক অসমতা তৈরি করে। এই অসমতা পরপর উচ্চ ও নিম্ন জলের মধ্যবর্তী সময়ের তারতম্য হিসাবেও প্রকাশ পায়। 
  • উপবৃত্তাকার কক্ষপথ: সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর কক্ষপথ এবং পৃথিবীর চারপাশে চাঁদের কক্ষপথ উপবৃত্তাকার। এর অর্থ হল এই জ্যোতির্বিদ্যাগত বস্তুগুলির মধ্যে দূরত্ব সারা বছর এবং চান্দ্র মাস জুড়ে পরিবর্তিত হয়। যখন চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে (অনুভূ বা perigee) বা পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে (অনসূর বা perihelion), তখন মহাকর্ষীয় শক্তি শক্তিশালী হয়, যার ফলে জোয়ারের সীমা বড় হয় এবং সম্ভাব্যভাবে সময়ের সামান্য পরিবর্তন ঘটে। এগুলিকে যথাক্রমে অনুভূর জোয়ার এবং অনসূরের জোয়ার বলা হয়। বিপরীতভাবে, যখন তারা সবচেয়ে দূরে থাকে (অপভূ বা apogee এবং অপসূর বা aphelion), তখন জোয়ারের সীমা ছোট হয় (অপভূর জোয়ার এবং অপসূরের জোয়ার)। কক্ষপথের গতির পরিবর্তনও জোয়ারের उभारের সময়কে সামান্য প্রভাবিত করে। 

উপসংহারে, জোয়ার ভাটার উৎপত্তির কারণ পৃথিবীর মহাসাগরের উপর চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষীয় শক্তি। চাঁদ প্রধান চালিকাশক্তি হলেও, এই শক্তিগুলির মিথস্ক্রিয়া, পৃথিবীর ঘূর্ণন এবং বিভিন্ন ভৌগোলিক কারণগুলির সংমিশ্রণে বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ারের সময় এবং বৈশিষ্ট্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়। এই জটিল মিথস্ক্রিয়াগুলি বোঝা নৌ চলাচল, উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা এবং আমাদের গ্রহের মহাসাগরের গতিশীল প্রকৃতি উপলব্ধি করার জন্য অপরিহার্য।

 

Scroll to Top